1. info@dailyjanatarbarta.com : Admin :
  2. admin2@dailyjanatarbarta.com : Editor Janatar Barta : Editor Janatar Barta
  3. araf@yopmail.com : araf :
  4. editor@dailyjanatarbarta.com : JanatarBarta Editor : JanatarBarta Editor
  5. test@yopmail.com : test :
সংবাদ শিরোনাম :

ভোলার লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী ও হিসাব রক্ষেকর বিরুদ্ধে অর্থ আত্নসাৎতের অভিযোগ উঠেছে

  • পোস্টের সময়কাল : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৮৯ মোট ভিউস্

ডেস্ক নিউজ
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মোঃ নুরুজ্জামান ও মোঃজসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎতের ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মোঃনুরুজ্জামান ও হিসাব রক্ষক জসিম উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবত একই প্রতিস্ঠানে চাকুরির সুবাদে প্রধান সহকারি নুরুজ্জামান নিজেকে সেখানকার সাবেক এমপি মেজর জসিম উদ্দিনের আত্নীয় পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার অপব্যাবহার ও খেয়াল খুশি মতো স্টাফদের জিম্মি করে নানান অপরাধ করে আসছেন বলে জানান ভুক্ত ভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ইউপি স্বাস্থ্য সহকারী সাংবাদিকদের জানান,মোঃনুরুজ্জামান ও জসিম উদ্দিন বহু বছর ধরে লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান সহকারি ও হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করে আসছেন। আমাদের বেতন ও অন্যান্য উপকরণ আনতে হলে তার দারস্থ হতে হয়। সেই সুবাদে আমাদের ২০২১ সালের জুন মাসের বেতন থেকে জনপ্রতি ১৫০০/১২০০ টাকা কর্তন করে রেখেছেন ।শুধু তাই নয় প্রতিবছর সরকার আমাদের যাতায়াত ভাড়া বাবদ ৩৬০০/টাকা খরচ দিয়ে থাকেন,সেখানে আমাদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৫০০/ টাকা। বাকিটা কর্তন করে রেখে দিয়েছেন প্রধান হিসাব রক্ষক ও প্রধান সহকারী।
উল্লেখ থাকে যে,কমিউনিটি ক্লিনিক এর আওতায় লালমোহন উপজেলায় মোট ৩৩ জন সিএসপি কর্মী কাজ করে আসছেন। চাকরির শুরু থেকেই তাঁদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সিএসপিরা ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করতো, কিন্তু চলতি বছরের জুন মাসের বেতন ব্যাংকে না দিয়ে হিসাবরক্ষক জসিম ও প্রধান সহকারী মোঃ নুরুজ্জামান মিলে করোনার অজুহাত দেখিয়ে সিএসপিদের বেতনের প্রাপ্তি স্বীকারে সাক্ষর রেখে বেতন কর্তন করে রেখেছেন।

লালমোহন উপজেলার সিএসপিদের সভাপতি মোঃজুলহাস আহম্মেদ জানান, প্রধান সহকারী নুরুজ্জামান ও হিসাব রক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন প্রতিমাসেই বেতনের সময় কোন না কোন অজুহাত দেখিয়ে খরচের টাকা চায়, না দিলে বেতন আটকিয়ে রাখেন। আমি সভাপতি হিসেবে এদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে চাইলে আমাকে ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।আমি সিএসপিদের পক্ষ থেকে তাদের বিচার চাই।

এ ব্যাপারে হিসাবরক্ষক জসিম উদ্দিনের সাথে তার ০১৭১৬৫৩১৫৯২ নাম্বারে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে,তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।বরং সিএসপিরা কাজ না করেও মাস শেষে বেতন তুলে নিচ্ছে।বিষয়টি নিয়ে প্রধান হিসাব রক্ষক নুরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন প্রকার সদূত্ত্বর দেননি।

লালমোহন উপজেলার স্বাস্থ্য দপ্তরের টি এস,ডাঃ মিজানুর রহমান জানান হিসাব,রক্ষক কিম্বা অন্য কারো বেতন কর্তন করার ক্ষমতা নেই। যদি হিসাব রক্ষক এমনটা করে থাকেন,তাহলে অভিযোগ পেলে আমি ব্যবস্হা নিবো।

শেয়ার করুন....

আরো দেখুন