1. info@dailyjanatarbarta.com : Admin :
  2. admin2@dailyjanatarbarta.com : Editor Janatar Barta : Editor Janatar Barta
  3. araf@yopmail.com : araf :
  4. editor@dailyjanatarbarta.com : JanatarBarta Editor : JanatarBarta Editor
  5. test@yopmail.com : test :
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলার মেঘনায় মালবাহী কার্গোতে ডাকাতি! দূই জলদস্যুকে ধরে ফেললো কোস্ট গার্ড প্রকাশিত কাল্পনিক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি নেতা জামালউদ্দিন চকেট সিপিডিএ ‘র দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ক্যারিয়ার উন্নয়ন সপ্তাহ ১৫-২১ অক্টোবর সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু ৬ মাস ২১ দিন পর দলীয় কার্যালয়ে রিজভী কোনো নির্বাচন নির্বাচন খেলা হবে না: ওবায়দুল কাদের সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে মাঠ প্রশাসন মূল চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী ভোলার মেঘনায় ৮ টি মালবাহী কার্গো জাহাজে ডাকাতির অভিযোগ! পুলিশের রহস্যময় ভূমিকা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

বরগুনার বেতাগীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুরগি জবাই ও ড্রেসিং

  • পোস্টের সময়কাল : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ১২১ মোট ভিউস্

মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার জেলার বেতাগীতে যত্রতত্র অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মুরগি জবাই ও ড্রেসিং করা হচ্ছে। উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারের শত শত মুরগির দোকান রয়েছে। আর এসব দোকানে প্রকাশ্যে মুরগি জবাই ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রেসিং করায় জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি তৈরি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

সরেজমিনে পৌরশহর সহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুরগি জবাইয়ের পর বড় একটি পাত্রের মধ্যে মুরগিকে ফেলে গরম পানি দিয়ে সাধারণ ড্রেসিং করা হয়। সাধারণত মুরগির পালক, বিষ্ঠা, রক্ত, পানি এবং মুখে থাকা খাদ্য পানির সঙ্গে মিশে এক ধরনের বিষাক্ত পানিতে পরিণত হয়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাজার ভেদে শত শত মুরগি ড্রেসিং করা হয় এ বিষাক্ত পানির মধ্যে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। আবার ড্রামের ভেতরেও বারবার জবাই করা মুরগির রক্তসহ বর্জ্য গরম পানির সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে যায়। জানা যায়, দোকানগুলোর কর্মচারীরা প্রতিটি মুরগি জবাই করে প্রথমে টিনের ড্রামের মধ্যে জাবাইযয়ের পর রাখে।

মুরগি অসাড় হয়ে পড়লে কর্মচারীরা সেটি বের করে জমাট বাঁধা রক্তমাখা মুরগি ড্রেসিংয়ের ড্রামের মধ্যে ফেলে কয়েক মিনিট পর মুরগি চামড়া, নাড়িভুঁড়ি, ছাড়িয়ে পলিথিনে ভরে গ্রাহকের হাতে তুলে দেয়। ওই সব দোকানে যে ড্রামগুলোতে জবাই করা মুরগি রাখা হয় সেগুলো রক্ত ও পানিতে ভরে গেলে রাস্তার পাশেই ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এতে মুরগিতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জানতে চাইলে বেতাগী পৌর শহরের মিজান নামে এক দোকানের কর্মচারী বলেন, ‘ভাই রাতের বেলা সব ধোয়া হয়। আবার সকালে দোকান খোলার সময় ধোয়া হয়।’ দুই বেলা ড্রাম পরিষ্কার করলে ময়লার স্তর জমে থাকার সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রক্ত জমে যায় তো। সহজে পরিষ্কার হয় না।’ উপজেলার জলিশার হাট, পৌরবাজার, মোকামিয়া বাজার, কাউনিয়া বাজার ও চান্দখালী বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখা যায়, বাজারে মুরগি জবাই করার স্থান ও ড্রেসিং করার স্থান একসঙ্গে। এর মধ্যে প্রায় দোকানই গরুর বাজার-সংলগ্ন পাশাপাশি হওয়ায় পরিবেশে আরও অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা হয়। আর এতেই চলে মুরগি জবাই ও ড্রেসিং।

একই ধরনের মুরগি ড্রেসিং করতে দেখা যায় উপজেলার বিভিন্ন দোকানে। ২০০৮-০৯ সালে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ নিয়ে হুলুস্থূল পড়ে যায়। তখন সরকার বার্ড ফ্লু নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেকগুলো নিয়ম করেছিলেন। বার্ড ফ্লু আক্রমণ থেকে বাঁচতে হাতে গ্লাভস ও মুখে মাক্স ব্যবহার করা হতো। কিন্তু বর্তমানে দোকানিরা এখন আর তা ব্যবহার করেন না। এছাড়া সেই নিয়মও আর মানা হয় না।

অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বার্ড ফ্লু নয়, বর্তমানে যে পরিবেশে যে প্রক্রিয়ায় মুরগি জাবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে সেখান থেকে নানা ব্যাকটিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগ ছড়াতে পারে। এ বিষয়ে ঊপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মো: আব্দুল্লাহ বলেন, ‘খোলা বাজারে মুরগি জবাই করা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুরগি জবাই ও ড্রেসিং করলে বার্ড ফ্লুসহ নানা ধরনের রোগ জীবাণু ছড়াতে পারে।

শেয়ার করুন....

আরো দেখুন