1. info@dailyjanatarbarta.com : Admin :
  2. admin2@dailyjanatarbarta.com : Editor Janatar Barta : Editor Janatar Barta
  3. araf@yopmail.com : araf :
  4. editor@dailyjanatarbarta.com : JanatarBarta Editor : JanatarBarta Editor
  5. test@yopmail.com : test :
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলার মেঘনায় মালবাহী কার্গোতে ডাকাতি! দূই জলদস্যুকে ধরে ফেললো কোস্ট গার্ড প্রকাশিত কাল্পনিক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি নেতা জামালউদ্দিন চকেট সিপিডিএ ‘র দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ক্যারিয়ার উন্নয়ন সপ্তাহ ১৫-২১ অক্টোবর সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু ৬ মাস ২১ দিন পর দলীয় কার্যালয়ে রিজভী কোনো নির্বাচন নির্বাচন খেলা হবে না: ওবায়দুল কাদের সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে মাঠ প্রশাসন মূল চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী ভোলার মেঘনায় ৮ টি মালবাহী কার্গো জাহাজে ডাকাতির অভিযোগ! পুলিশের রহস্যময় ভূমিকা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

ঢালীদের চরম দুর্দশা । শত বছরেও সমাধান

  • পোস্টের সময়কাল : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১
  • ৭১ মোট ভিউস্

মেলেনি মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না,

বেতাগী বরগুনা বেতাগী বাজারের ঐতিহ্যবাহী বাঁশ দিয়ে তৈরি করা পন্য বিক্রি করতে পেশাজীবী ঢালীদের নির্দিষ্ট স্হান না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী শত বছরের পেশায় নিয়োজিত শিল্পিদের দুর্ভোগ কখনও লাঘব হয়নি। কখনো রাস্তার পাশে। কখনো খাস কাছারি মাঠের রেইন্ট্রি গাছ তলায়। কখনো বা পথচারীদের চলাচলের মাঝে রাস্তার মোড়ে বসে পসরা সাজিয়ে কেনাবেচা করছেন। ফলে পথচারীদের পথ চলতে দুর্ভোগ হলেও সাপ্তাহের দুটি হাটে দীর্ঘ দিন ধরে পেশার ঐতিহ্য বজায় রেখে চলেছেন। বেতাগী বাজারের বর্তমানে অনেক উন্নয়ন হলেও এ পেশার মানুষের আদৌ উন্নতি হয়নি। নির্দিষ্ট দোকান করার স্হান আজো তৈরি হয়নি ।

কাদামাটি ও বৃস্টিতে ভিজে যেখানে সেখানে বসে দোকানদারি করছেন। এ পর্যন্ত কারো নজরে আসেনি বলে রতন কুমার ঢালী জানান। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ে আসা বাঁশের তৈরি সাজি ডালা চালন কুলো ওড়াহ ঝাপি সহ সংসারের প্রয়োনীয় নানা ধরণের পন্য সামগ্রী ঘরে বসে বানিয়ে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে চলেছেন । এছাড়াও খাল বিল ও নদীতে মাছ ধরার জন্য বিভিন্ন ফাঁদ যেমন চাই বুচনা গড়া যুগর তৈরিকৃত পন্য সামগ্রী এই হাট বাজারে শত বছর ধরে বিক্রি করে আসছেন। কিন্তু আজতাক এদের পসরা মিলানোর জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ নজর দেননি বলে অভিযোগ করেন পেশার মানুষগুলো। ষাটর্ধ বয়সের রঙ্গলাল ঢালী ক্যামেরা দেখেই বলেন তুলেন তুলেন ভালো করে তুলেন।

আমাগো কথা কেউ লেখেনা। দেখেন না গাছের তলায় বৃস্টিতে ভিজে দোকানদারি করছি। একদিকে কাঁদা অপরদিকে পানি। চরম দুর্ভোগেও পেশা ছাড়তে পারছিনা। এ পেশা বাপ দাদার। পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য । তাই শত বছর ধরে এ পেশার মানুষ গুলো দুর্দশা উপেক্ষা করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। সব কিছু বদলালেও এদের ভাগ্য আজো বদলায়নি।

শেয়ার করুন....

আরো দেখুন